মুসা (আ.) আল্লাহকে দেখতে চেয়েছিলেন ('রাব্বি আরিনি')। যদিও দুনিয়ার চোখে তা সম্ভব ছিল না, কিন্তু এই আবদারের পেছনে ছিল আল্লাহর প্রতি তাঁর অগাধ প্রেম। মাহমুদেবাদী সাহেব তাঁর ওয়াজে দেখিয়েছেন, কীভাবে একজন নবী আল্লাহর নৈকট্য লাভের জন্য ব্যাকুল থাকতেন।
মুসা (আ.) প্রশ্ন করলেন, "হে রব! সারা দুনিয়ার মানুষ যদি আপনার অবাধ্য হয়ে যায়, তবে আপনার কী ক্ষতি হবে? আর সবাই যদি সিজদায় পড়ে থাকে, তবে আপনার কী লাভ?"আল্লাহ তায়ালা উত্তরে বললেন, "হে মুসা! আমি কারো ইবাদতের মহতাজ (মুখাপেক্ষী) নই। সমুদ্রের কিনারে কোনো পাখি এক ফোঁটা পানি পান করলে যেমন সমুদ্রের পানি কমে না, তেমনি সবার অবাধ্যতায় আমার শ্রেষ্ঠত্ব কমবে না। আর ইবাদত করলে লাভ বান্দারই হয়।" মুসা (আ
মুসা (আ.) একবার আল্লাহকে জিজ্ঞেস করলেন, "হে আল্লাহ! আপনার অসংখ্য নিয়ামতের মাঝে আমি কীভাবে আপনার শোকর আদায় করব যা আপনার শানের উপযুক্ত?"আল্লাহ তাআলা জবাব দিলেন, "হে মুসা! তুমি যে এটি অনুভব করতে পেরেছ যে নিয়ামতগুলো আমার পক্ষ থেকে এসেছে এবং তুমি নিজে এর শোকর আদায়ের ক্ষমতা রাখো না—এটাই হলো তোমার প্রকৃত শোকর।" আমি তো আপনার বান্দা
এটি একটি অত্যন্ত গভীর ও আবেগপূর্ণ প্রশ্ন। মুসা (আ.) জিজ্ঞেস করেছিলেন, "হে আল্লাহ! আমি তো আপনার বান্দা, তাই আমি আপনার ইবাদত করি। কিন্তু আপনি যদি বান্দা হতেন আর আমি যদি আল্লাহ হতাম, তবে আপনি আমার কাছে কী চাইতেন?"আল্লাহ তাআলা অত্যন্ত চমৎকারভাবে উত্তর দিলেন, "হে মুসা! আমি যদি বান্দা হতাম, তবে আমি আমার মাখলুক বা সৃষ্টির সেবা করতাম। কারণ সৃষ্টির সেবা করলেই আমাকে পাওয়া যায়।" মুসা (আ